দত্তপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যার যাত্রা শুরু হয় ১৯৫০সালে। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বিদ্যালয়টি স্থানীয় জনসাধারণের শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে আসছে। একশোরও বেশি বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় বিদ্যালয়টি বারবার সমাজ ও জাতির পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে। প্রথমদিকে বিদ্যালয়টি ছিল একটি ক্ষুদ্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও গ্রামের শিশু-কিশোরদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রদান করা হতো। সময়ের সাথে সাথে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যালয়টি ধীরে ধীরে এলাকাবাসীর আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এই বিদ্যালয় শুধু শিক্ষার প্রচারেই নয়, বরং সামাজিক উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। বিভিন্ন সময়ে জাতীয় আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সামাজিক পরিবর্তনের মুহূর্তে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় জনগণ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে, যা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টি আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি, তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম এবং সহপাঠ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছে।
দত্তপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যার যাত্রা শুরু হয় ১৯৫০সালে। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বিদ্যালয়টি স্থানীয় জনসাধারণের শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে আসছে। একশোরও বেশি বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় বিদ্যালয়টি বারবার সমাজ ও জাতির পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে। প্রথমদিকে বিদ্যালয়টি ছিল একটি ক্ষুদ্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও গ্রামের শিশু-কিশোরদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রদান করা হতো। সময়ের সাথে সাথে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যালয়টি ধীরে ধীরে এলাকাবাসীর আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এই বিদ্যালয় শুধু শিক্ষার প্রচারেই নয়, বরং সামাজিক উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। বিভিন্ন সময়ে জাতীয় আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সামাজিক পরিবর্তনের মুহূর্তে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় জনগণ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে, যা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টি আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি, তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম এবং সহপাঠ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছে।
প্রধান শিক্ষকের বাণী প্রধান শিক্ষকের বাণী "শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড"- এই মহান বিশ্বাসকে হৃদয়ে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, নৈতিকতা ও সৃজনশীলতায় গড়ে তুলতে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। আমরা শুধুমাত্র পাঠ্যবইয়ের সীমায় আবদ্ধ না থেকে, শিক্ষার্থীদের মানবিক, আধুনিক এবং প্রযুক্তিবান্ধব নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি। একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূল ভিত্তি হলো ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ। এই উপলব্ধি থেকেই আমরা একটি ইতিবাচক, নিরাপদ ও মননশীল শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলেছি-যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী তার নিজস্ব প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পায়। আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষার এই ধারাবাহিকতায় আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা একদিন একটি আলোকিত জাতি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধান শিক্ষক
সহকারী শিক্ষক
সহকারী শিক্ষক
সহকারী শিক্ষক
সহকারী শিক্ষক
সহকারী শিক্ষক
সহকারী শিক্ষক
সহকারী শিক্ষক
সহকারী শিক্ষক
সহকারী শিক্ষক
সহকারী শিক্ষক
কম্পিউটার অপারেট
সহকারী শিক্ষক